Showing posts with label হাবিজাবি. Show all posts
Showing posts with label হাবিজাবি. Show all posts

Friday, October 1, 2010

নামহীন হাবিজাবি - ৬

সময়ের স্রোতে ভেসে
ব্যস্ত এই জীবন আমার
অখণ্ড অবসরে শুধু
তোমাকেই পেতে মন চায়
এতো কাছে তবু
একাকী সময় গুণি
প্রহরগুলো যেন
আরো দীর্ঘ মনেহয়
একাকী এই আমি
বসে রই নীরবে
তোমার অপেক্ষায় ...

Friday, June 5, 2009

নামহীন হাবিজাবি- ৫

(১)
আকাশ জুড়ে মেঘের খেলা
মন বসেনা ঘরের কোনে,
ইচ্ছে করে ভাসাই ভেলা
নদীর জলে গহীন বনে।

(২)
প্রকৃতির নির্মম রূক্ষতাকে
উপেক্ষা করে ভেসে যেতে চাই;
অজানা কোনোও দুর্গমতাকে
আপন করে বন্ধু হতে চাই।

(৩)
ছেলেবেলার মধুর সময়
হারিয়ে যাওয়া বন্ধুরা
স্বপ্নে আসে, স্মৃতি জাগায়
কখনো কাঁদায়, কখনো হাসায়।

--------------------------------------

প্রথম প্রকাশঃ সচলায়তন, ২০০৯।

Monday, April 20, 2009

নামহীন হাবিজাবি- ৪

আমার ঘরের সবচেয়ে আকর্ষনীয় ব্যাপারটা মনেহয় ঘরের একমাত্র জানালাটি। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় সম্ভবত আকাশ। সাথে আরো গাছ-গাছালি, লতাপাতা, পেছনের উঠোনের ফুল ইত্যাদি ইত্যাদি। কয়েক ঘন্টা আগেও বৃষ্টি হচ্ছিল বাইরে। আকাশের অবস্থা দেখে কিছুটা বিরক্তই লাগছিল। এখানে আবার বৃষ্টি হলেই ঠান্ডা পরে তাই বিরক্তিটা একদম মাথায় রক্ত চড়িয়ে দেয়। কিন্তু কিছুক্ষণ আগে বৃষ্টি থেমে আকাশ একদম পরিষ্কার হয়ে গেল। সাদা তুলোর মতন মেঘের দিকে তাকিয়ে বেশ ভাল লাগছিল। সন্ধ্যে হবার ঠিক আগে মনে হচ্ছিল যেন সাদা ক্যানভাসের মধ্যে কেউ হালকা লাল রঙ চড়িয়ে দিয়েছে, বিক্ষিপ্তভাবে এখানে সেখানে।

অলস দিন কাটাচ্ছি আজকে। কত কিছু করার আছে কিন্তু কিছুতেই মন বসাতে পারছিনা। গতকাল আমার এক বন্ধুর জন্মদিন ছিল। ওকে শুভেচ্ছা জানানো হয়নি। হয়তোবা কষ্টই পেয়েছে সে; কিন্তু এখন মনে হচ্ছে জানানো উচিত ছিল। নিজের উপর বিরক্ত লাগছে ব্যাপারটা চিন্তা করলে। গতকাল ওকে শুভেচ্ছা জানালেই পারতাম। এমন নয় যে ভুলেই গিয়েছিলাম। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরেও মনে ছিল। যদিও সারাদিন বেশ ব্যস্ত ছিলাম কাজে তবুও শত ব্যস্ততার এক ফাঁকে হয়তো শুভেচ্ছা জানাতে পারতাম।মাঝেমধ্যে এমনসব আজব কাজ করে বসি পরে নিজেই বুঝতে পারিনা কেন করেছি। ব্যাপারটা অনেকটা তেমনই। তবে শুভেচ্ছা জানাই আর নাইবা জানাই ওর জন্য সবসময় শুভকামনা তো অবশ্যই কামনা করি। যা কখনো পরিবর্তন হবার নয়।

আবহাওয়ার কথা বলছিলাম। শীতকালটা আমার কখনোই তেমন ভাল লাগেনা। আমি আবার কিছুটা শীতকাতুরে মানুষ। ঠান্ডা সহ্য করতে পারিনা। সামান্য শীতেও অনেক ঠান্ডা লাগে। বিস্তর জামাকাপড় পরে বাইরে বের হতে হয়। নানান ঝামেলা। শীতকাল ছাড়া বর্ষাকালেও আমার ঘোর আপত্তি। দিনভর বৃষ্টির অত্যাচার দেখতে দেখতে বিরক্ত হয়ে যাই। বাকি ঋতুগুলো নিয়ে আমার সমস্যা নাই। বাকি সব ঋতুই আমার পছন্দের।

Monday, November 10, 2008

গদ্য লিখতে পারিনা !

কি লিখতে যাচ্ছি নিজেই জানিনে, তাই পাঠকদের সতর্ক করে দিতে চাই যে এই লেখা পড়বার পর উনাদের মনে হতে পারে অযথা নিজের সময় নষ্ট করলাম। অতএব সম্মানিত পাঠকদের যদি কিছু সময় হাতে থাকে নষ্ট করবার মতন তাহলে লেখার বাকিটুকু পড়তে পারেন।

লিখতে গিয়ে স্পর্শ ভাইয়ার কথা মনে পড়ে গেল। সামহোয়ারিনে উনি (অ)গাণিতিক বলেই অধিক পরিচিত। উনার আব্‌জাব লেখাগুলোর আমি বেশ ভক্ত ছিলাম। ভাইয়ার সাথে আমার ব্যক্তিগত ভাবেও তেমন পরিচয় নেই তাই জানিওনা কেন আজকাল লিখছেন না ভাইয়া। তবে নতুন লেখা পেলে খুব ভাল লাগত উনার থেকে। যাই হোক মূল প্রসঙ্গে আসি এবার, নুশেরা আপু মাঝেসাঝে আমাকে প্রশ্ন করে থাকেন যে তুমি গদ্য লেখনা কেন? উনার সাথে তাল মিলিয়ে হয়তো আরো কয়েকজন আমাকে একই প্রশ্ন করেছেন। কিন্তু জবাব যে আমার জানা নেই তা বলাই বাহুল্য। নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করে কোথায় থেকে কোথায় যেন হারিয়ে যাই। তবু এই প্রশ্নের সদুত্তর হয়তো এখনো যোগাড় হয়নি। তবুও ঠেস দিয়ে দাঁড় করালাম এই প্রশ্নের অগোছালো কিছু উত্তর, মনের ভেতরেই।

আমি কিছু লিখতে বসলে এক প্রসঙ্গে থাকতে পারিনা। হঠাৎ কিভাবে যেন প্রসঙ্গ বদলে যায় তার উপলব্ধিও হয়না। যেমন লিখতে বসার পরমুহূর্তে ভাবছিলাম অকবিতা টাইপের লেখা লিখিনা অনেকদিন তাই একটা চেষ্টা করে দেখা যাক। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবেই চিন্তাটা বাতিল করে দিলাম। ভাবলাম হাবিজাবি মনে যা চায় তাই লিখি। সেখান থেকে স্পর্শ ভাইয়ার প্রসঙ্গ এবং ইত্যাদি ইত্যাদি। মনে হচ্ছে প্রসঙ্গ থেকে আবার দূরে চলে যাচ্ছি। আচ্ছা, যা বলছিলাম আরকি। কোন প্রসঙ্গে লিখব তাই ভেবে পাইনে লিখতে বসে। গদ্য বের হবে কিভাবে বলুন?

এবার অন্যদিকগুলোতে আলোকপাত করা যাক, আমার বাংলা বানান মনেহয় দিনে দিনে দুর্বল থেকে দুর্বলতর হয়ে যাচ্ছে। আর ভুল বানানে বাংলা লেখা খুবই দৃষ্টিকটু দেখায়। আমার লেখার মাঝে কেউ কোনও ভুল বানান দেখলে অবশ্যই জানিয়ে দেবেন দয়া করে। অত্যন্ত বাধিত হব। গদ্য ধরনের লেখাগুলোর জন্য পর্যাপ্ত বাংলা শব্দের ভাণ্ডার থাকা খুব জরুরি বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। যা আমার কাছে নেই। তাই তেমন গদ্য লেখার যোগ্যতা কোথায় ? এর সাথে পর্যাপ্ত বাংলা সাহিত্য চর্চার অভাব, ব্যাকরণগত দুর্বলতা, জীবন-দর্শন সম্পর্কে ধারনার অপ্রতুলতা, ব্যক্তিগত দ্বিধা ইত্যাদি তো আছেই।

আরেকটা সমস্যা হয় আমার লিখতে গিয়ে, সেটা হচ্ছে লেখার শেষ পর্যায়ে এসে ঠিক বুঝে উঠতে পারিনে কিভাবে শেষ করা যায় লেখাটা। এ প্রসঙ্গে পূর্ব-অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়ে গেল। একবার এক ই-ম্যাগাজিনের সম্পাদক ভাইয়ার চাপাচাপির কারনে একটা হাবিজাবি লেখা দিতে হয়েছিল। প্রবন্ধ টাইপের লেখা ছিল সেটা, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি নিয়ে ছিল যতদূর মনে পড়ছে। ওটা লিখতে গিয়ে কিছুতেই আমি উপসংহার অংশটা যুতসইভাবে লিখতে পারছিলাম না। যাই লিখি মনঃপুত হচ্ছিল না নিজের কাছেই। তারপর সম্পাদক ভাইয়াকে গিয়ে ধরি। উনি প্রথমে একচোট হেসে নিলেন তবুও উনি দিকনির্দেশনা না দিলে হয়তো ঐ লেখাটা শেষ করাই যেতনা। লিখতে লিখতে আবার প্রসঙ্গ থেকে পিছলে যাচ্ছি মনেহয়। পাঠকরা সেটা বেশ বুঝতে পারছেন এতক্ষণে। রাজনৈতিক বক্তাদের বক্তৃতার মতন লেখাটি দীর্ঘায়িত করে পাঠকদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নেবার উদ্দেশ্য আমার একদমই নেই। শেষ করার আগে আরেকবার তাই বলব যে গদ্য লেখা বোধকরি আমাকে দিয়ে হবেনা।

---------------------------------
প্রথম প্রকাশঃ সামহোয়ারিন ব্লগ, ২০০৮।

Monday, July 21, 2008

নামহীন হাবিজাবি- ৩

বাইরে বিকাল। আস্তে আস্তে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাইরে নিকষ কালো আঁধারে ঢেকে যাবে। সময়ের ডানায় ভর করে আরেকটা দিন চলে যাচ্ছে। বয়েসের হিসেবের সাথে যোগ করে গেল আরেকটা দিন। রেখে যাচ্ছে কিছু স্মৃতি অথবা বাড়ছে কিছু দীর্ঘশ্বাস। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসবে দুপুর রাত তারপর রাত হবে গভীর। তারপর ? তারপর আরেকটা নতুন দিন, নতুন সূর্যোদয়। আবার সেই গতানুগতিক জীবনধারা। বৈচিত্র্যহীন, গতানুগতিক জীবনের মাহাত্ম্য বর্ণনা করার জন্যেই হয়তো আমাদের এই বেঁচে থাকা। বেঁচে থাকি আমরা, নিরলস কর্মীর মতন লিখে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত আমাদের নিজেরই দিনলিপি। বর্ণনায় সাবলীলতা হয়তো নেই কিন্তু অনুভূতির কিছুমাত্র কম দেখিনা। মাতৃস্নেহে লালন করে যাচ্ছি আমাদের ফেলে আসা স্মৃতিগুলো। আনন্দময় স্মৃতিগুলো যেমন সঙ্গী তেমনি সঙ্গী ফেলে আসা দীর্ঘশ্বাসগুলো। বেঁচে থাকি আমরা, স্বপ্ন দেখছি নিয়মিত। পুরোনো স্বপ্নগুলো খানখান হয়ে ভেঙ্গে যায় আমাদেরই চোখের সামনে। স্বপ্নভঙ্গের সেই বেদনাকে তোয়াক্কা না করে আবারো স্বপ্নদেখার অভিলাষ জাগে মনে, স্বপ্ন দেখার সেই বিলাসিতা করতেই হয় আমাদের তাই আবারো স্বপ্ন দেখি আমরা। এর মাঝে কত ঝড়-ঝাপ্টা আসে, পাহাড় সমান প্রতিকূলতাগুলো শুষে নিতে চায় আমাদের। পঙ্গপালের মতন ঘিরে ধরে সবদিক থেকে। নিঃশ্বাস নিতে বড় কষ্ট হয় তখন, বাতাসে অক্সিজেনের যেন হঠাতই ঘাটতি হয়। তবুও প্রতিকূলতার পাহাড়কে জয় করি আমরা, অনেক সময় হয়তো তা সম্ভব হয়না কিন্তু হার মানার যে উপায় নেই। প্রকাণ্ড এই মহাযুদ্ধে আমাদের লড়ে যেতেই হয় শেষ নিঃশ্বাস থাকা পর্যন্ত। ছন্দহীন, বৈচিত্র্যহীন এই জীবনকে আমরা লালন করে যাই পরম যত্নে।

Friday, June 27, 2008

নামহীন হাবিজাবি- ২

আহ্, কি যে ভাল লাগছে। আজকে যে আমাদের সেমেস্টার ফাইনাল শেষ হয়ে গেল। বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছি বলতে পারেন। সত্যি কথা বলতে আমার মনেহয় যেন ভাল থাকাটা আসলেই আপেক্ষিক একটা ব্যাপার। বোঝার চেষ্টা করছি আসলেই কতোটা ভাল আছি এখন? মাথাটা প্রচণ্ড ধরেছে, কালকে সারারাত না ঘুমিয়ে কাটানোর জের চলছে এখনো। শেষ কবে যে নির্ভার একটা রাত কাটাতে পেরেছি নিজেই জানিনা। মাঝে মাঝে খুব তাই ফিরে যেতে ইচ্ছে করে সেই সময়টায়।সাথে 'ফ্লু' ব্যাটার অত্যাচারটাও সহ্য করে আছি।ধরেছে সেই কবে এখনো যাবার নাম নেই।আমার এদিকে একশোবার নাক মুছতে মুছতে অবস্থা কাহিল।

আমার খুব প্রিয় একটা গান বাজছে ল্যাপিতে। শুনেছেন কিনা আপনারা বলতে পারবোনা। শুভমিতার গাওয়া একটা গান, নাম- “উড়ে যা না”। অসাধারণ সুন্দর একটা গান। বহুদিন এমন চমৎকার সুর আর কথার গান শোনা হয়নি।কথাগুলো কেমন যেন উদাস করা! সময় পেলে শুনে দেখতে পারেন। নিঃসন্দেহে আপনাদের মন ছুঁয়ে যাবে তা বলে দিতে পারি।

পাঠক-পাঠিকাদের কি জানতে ইচ্ছা করছে আমার পরীক্ষা কেমন হল আজকে? সত্যি করে বলতে গেলে বলতে হয়- আমি নিজেই জানিনা কেমন দিলাম! আমাকে কেউ জিজ্ঞেস করলে আমি বেশিরভাগ সময় এমন উত্তর দিয়ে থাকি। পরীক্ষা হল থেকে বের হলে আমি আসলে বলতে পারিনা কোন প্রশ্নের উত্তর কি লিখে দিয়ে আসলাম। কিংবা বলতে পারেন হয়তো মনে করতেই চাইনা। আমার সহপাঠীদের দেখি ওরা পরীক্ষা হল থেকে বের হয়ে একে অন্যকে জিজ্ঞেস করে কেমন হল পরীক্ষা, কে কোন প্রশ্নের জন্য কি উত্তর লিখেছে এইসব আরকি। আমাকে জিজ্ঞেস করলে ওরা সবসময় একই উত্তর পায় তাই আজকাল জিজ্ঞেস করেনা। ওরা যখন এসব বিষয়ে আলোচনা করে আমি তখন ফ্যালফ্যাল চোখে তাকিয়ে থাকি ওদের দিকে, প্রশ্ন করলে সেই একঘেঁয়ে উত্তর।

তবে বেশি নিরাশ হবার কিছু নাই, আমি অবশ্য এতটুকু বলতে পারি যে শতকরা কতভাগ প্রশ্নপত্রের উত্তর দিয়ে এসেছি।হিসেব করে দেখলাম শতকরা ৯৫ ভাগ প্রশ্নের উত্তর দিয়ে এসেছি আজকে।এখন আমার খুব খুব প্রিয় একজনের কথা মনে হচ্ছে, এই কথা শুনলে যে এখন গম্ভীর গলায় আমাকে বলতঃ “বাকি প্রশ্নের উত্তর ছেড়ে দিয়ে আসলি কেন? ওগুলার উত্তর করে আসা উচিত ছিল, তোর সাথে কথা বন্ধ।“ সত্যি কথা বলতে কি ঐ বাকি ৫ ভাগে উত্তরও আমার জানা ছিল। কেন যে লিখলাম না নিজেই জানিনা, হঠাৎ করে তোর ঝাড়ির কথা মনে পড়ে গেল। কলমটা যেন আর চলতেই চাইলোনা।

Thursday, June 19, 2008

নামহীন হাবিজাবি- ১

কিছু লিখতে ইচ্ছে করছিল, তাই এখানে চলে আসলাম।এখানে হাবিজাবি কিছু লিখে আমার হাতের তালুর চুলকানি কমানোই মূল উদ্দেশ্য।ইদানিং বেশ ব্যস্ত হয়ে পড়ছি, নিজের জন্য সময় বের করতেই হিমশিম খেতে হয়।দেখতে দেখতে আমার শিক্ষাজীবনের আরেকটি সেমেস্টার চলে যাচ্ছে।এখনো মনে হচ্ছে এইতো সেদিন না সেমেস্টার শুরু করলাম।আমাদের সেমেস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলছে এখন।সত্যি কথা বলতে কি প্রত্যেক সেমেস্টার শেষ হলে যখন আমাদের ফাইনালের জন্য বসতে হয় তখনই আমার এই কথাটা বারবার মনে আসে।আর প্রতিবারই পণ করি পরের সেমেস্টারের গোড়া থেকেই ভাল করে পড়াশুনা শুরু করব।কিন্তু বলাই বাহুল্য সেটি কখনোই করা হয়ে ওঠেনা।এখনো আরো দুটো পরীক্ষা বাকি আছ।সামনের পরীক্ষা আইন বিষয়ক খটমটে একটা ইউনিট।এধরনের ইউনিট পড়ার বেশ ভাল একটি গুণ আছে, আপনাদের যদি ইনসোমনিয়া জাতীয় অসুখ থেকেও থাকে তাহলেও গভীর ঘুমে তলিয়ে যেতে কোনই সমস্যা হবেনা।আমার কথাই ধরুন, নিজেও জানিনা কতবার যে পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে গেছি!!অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই যে কেমন ফাঁকিবাজ ছেলেরে বাবা!!অবাক হবার কিছুই নেই,কারণ আমি বরাবরই এমন ফাঁকিবাজ ধরনের ছাত্র ছিলাম,আছি এবং ভবিষ্যতেও যেন থাকতে পারি সেজন্য খাস দিলে আপনাদের কাছে থেকে দোয়া কামনা করছি।অবশ্যই দোয়া করতে ভুলবেন না কিন্তু!!আমার আম্মু বলেন আমি এই সু(নাকি কু)-অভ্যাস উত্তরাধিকার সূত্রে আব্বুর কাছে থেকে পেয়েছি।যার কাছে থেকেই পেয়ে থাকি আমি কিন্তু খুব খুশি।

Tuesday, May 27, 2008

২৭মে, ২০০৮::: বিকাল ৫ টা

আমার প্রিয় কিছু মানুষের কথা এখন খুব বেশি করে মনে পড়ছে।যাদের সাথে আমি সময় কাটাতে পছন্দ করি।সকল সাধারণের মাঝেও যাদের সাথে থাকলে প্রতিটি মূহুর্ত যেন অসম্ভব সুন্দর মনেহয়।তাদের সংগে থাকলে আমি ভুলে থাকতে পারি সকল দুঃশ্চিন্তা সকল ব্যাথা সেই সময়ের জন্য।জানিনা কেন যে আজকে বড়ই একা মনে হচ্ছে নিজেকে।যেন দুঃসময়ে আমার পাশে দাঁড়াবার মতন কেউ নেই।কেউ এই আমার ঘাড়ে হাত রেখে কিছু স্বান্তনা বাণী শোনাবে যে।খুব স্বস্তিকর অনুভূতি যে এটা আমার জন্যে নয় সেটা বোধহয় আপনাদের বলে দিতে হবেনা।মাঝে মাঝে আমার এমন অস্বস্তিকর অনুভূতিটি হয়।আমার উপায় জানা নেই কিভাবে এর থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব চিরতরে?নাকি এটা খুব সাধারণ কিছু যার থেকে আমাদের নিস্তার নেই?আসলেই তো আমরা বড়ই একা এই পৃথিবীতে তাইনা!পৃথিবী ছেড়ে যেতেও হবে আমাদের একা।আর এটাই চরম সত্য।

Tuesday, May 6, 2008

মেজাজ খুবই খারাপ ...

কিছুক্ষন আগেও আমার মনটা বেশ ভাল ছিল। কয়েক মিনিট আগেই একজন আমার মুঠোফোনে ফোন করেছিল। তারপর থেকেই একটু বিরক্ত লাগছে কোন এক অজানা কারনে।এমনটি নয় যে আমি তার সাথে কথা বলতে চাইনা।বরং বলতে পারেন যারা আমাকে ফোন করলে আমি সবচেয়ে খুশি হই তাদের মধ্যেই একজন ছিল।কিন্তু তাও বিরক্তির সূত্রপাত কোথা থেকে হল এখনও আমার বোধগম্য হচ্ছেনা।হয়তোবা ও যা বলেছিল আমার ভালো লাগেনি শুনতে।অথবা অন্য কোনও কারনে।মেজাজটা আমার এখন তিরিক্ষি হয়ে আছে একদম।চুপ করে শান্ত থাকার চেষ্টা করছি বলতে পারেন।কাউকে প্রশ্ন করে আমি উত্তর না পেলে খুবই বিরক্ত হই।কারন আমি কাউকে এমন প্রশ্ন করিনা যেটার উত্তর তার না জানার কথা।যখন কেউ সেই কাংখিত উত্তরটি না দিয়ে এমন কথা বলে যে, "জানতে হবেনা তোমাকে" অথবা মিথ্যা করে বলে- "আমি জানিনা"... তখন কি আপনারাও বিরক্ত হবেন না??প্রশ্ন রইল।আমাকে মনেহয় কেউ কোনদিন উপদেশ দিয়েছিল যে, মেজাজ খারাপ থাকলে অথবা খুবই বিরক্ত হলে নাকি খাতার মধ্যে কিছু লিখলে সেটি ভাল বোধ করতে সাহায্য করে।আমার বেলায় কিন্তু বেশ কাজ করে এটা। আমার মনকে অন্যদিকে নিয়ে যেতে সাহায্য করে বলতে পারেন।তবে শর্ত হল আমাকে বাংলায় কিছু লিখতে হবে তাহলে নইলে কাজ হবার সম্ভাবনা নেই।অনেকদিন পরে লিখলাম এখানে।এখন মনটা একটু স্থির হয়েছে বলতে পারেন।