Thursday, August 12, 2010

মন ভাল নেই ...

রৌদ্রজ্জ্বল দিন
পাখির কলতান
মৃদু বাতাস
একাকী আমি
বসে ভাবছি
তোমার কথা
মন ভাল নেই ...

ভেতরে শুধুই
আলো-আঁধারের লুকোচুরি
ঝড়টি এসে এলোমেলো
করে দিয়ে গেল
এতো কাছে তবু
অদ্ভূত এই দেয়াল ...

নিথর দেহ
মনের আঙ্গিনায়
সন্ধ্যে নেমে আসছে
মন ভাল নেই
মন ভাল নেই।

----------------------
কবিতাটি তানিয়াকে উৎসর্গ করা হল।

Thursday, January 7, 2010

যদি ভুলে যাও ...

স্বচ্ছ চাঁদের জ্যোৎস্না
জানালার বাইরে দেখা শরতের আভাস
চারপাশে ছড়িয়ে থাকা সুগন্ধ অথবা আলোর দ্যুতি
সবকিছুই যেন ভাসিয়ে নিয়ে যায় আমায়
অপেক্ষায় চেয়ে থাকা
তোমার সেই দ্বীপের দিকে।

প্রতিটি দিনের প্রতিটি ঘন্টায়
যদি মনে করো আমি শুধুই তোমার
যদি প্রতিদিন একটি ফুল
বেঁয়ে ওঠে তোমার ওষ্ঠজোড়া
শুধুই খুঁজতে তোমায়
আমার ভালবাসাকে একান্ত নিজের করে
তখন ভালবাসার নিভু শিখাতে
নতুন অক্সিজেনের জোগান
হারিয়ে যাওয়া সবকিছুকে তখন নতুন করে ফিরে পাওয়া
আমার ভালবাসা বেঁচে থাকে
তোমার ভালবাসাতেই।

যদি ভুলে যাও আমাকে কোনওদিন
যদি ফেলে যাও জনারণ্য দ্বীপে
যদি ভালবাসতে ইচ্ছে না করে
তবে জেনে নিও তোমার প্রতি
আমার ভালবাসাগুলোও মরে গেছে
জনারণ্য দ্বীপ ছেড়ে পাল তুলবো
নতুন দ্বীপের সন্ধানে।

Sunday, December 13, 2009

হাসিতে যে তোর ...

আমি বিমোহিত হই
হারিয়ে যাই কোথাও
প্রশান্তির অনুভূতি শুধুই
মাদকতাও আসে কিছুটা
হাসিতে যে তোর মুক্ত ঝরে …

অবাক হয়ে দেখি
তোর উচ্ছ্বলতা
লোভী চোখে তাকিয়ে রই
কান পেতে থাকি
শুনবো তোর হাসির নিক্কন
হাসিতে যে তোর মুক্ত ঝরে …

হাসিমুখে দেবো বিসর্জন
তবুও তোর হাসি যেন থাকে অটুট
হাসবি প্রাণখুলে, সবসময়।
হাসিতে যে তোর মুক্ত ঝরে …

Saturday, November 21, 2009

জিঙ্ক-এয়ার ব্যাটারি

সুইজারল্যান্ডের একটি কোম্পানি ঘোষণা দিয়েছে যে তারা নতুন প্রযুক্তির এক ধরনের বার বার রিচার্জ করার উপযোগি ব্যাটারি আবিষ্কার করেছে যার নাম জিঙ্ক-এয়ার ব্যাটারি। এধরনের ব্যাটারি প্রচলিত সময়ের লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির থেকে তিনগুণ বেশি শক্তি সঞ্চয় করতে পারবে এবং খরচ পড়বে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির মাত্র অর্ধেক। রিভোল্ট নামের এই সুইস কোম্পানি প্রথমে শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের কৃত্রিম শ্রবণযন্ত্রে ব্যবহার উপযোগি ছোট ছোট জিঙ্ক-এয়ার ব্যাটারি বাজারজাত করবে এরপর তার ক্রমানুসারে মোবাইলফোন অথবা ক্যামেরায় ব্যবহার উপযোগি ব্যাটারি এবং এরপর গাড়িতে ব্যবহার উপযোগি আরো বড় ব্যাটারি বাজারজাত করতে শুরু করবে।

এ ধরনের ব্যাটারির ডিজাইন করেছে ‘সিনটেফ’ নামের একটি নরওয়ের গবেষণা প্রতিষ্ঠান। রিভোল্ট এই পর্যন্ত ২৪ মিলিয়ন ইউরোর সংস্থান করেছে এই প্রজেক্টের জন্য।গবেষণার প্রাথমিক পর্যায়ে জিঙ্ক-এয়ার ব্যাটারির কিছু ত্রুটি ধরা পড়লে সেগুলো ঠিক করে ফেলা হয়। এখন বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন জিঙ্ক এয়ার ব্যাটারি গাড়িতে ব্যবহার করে যাতায়াত খরচ কমিয়ে আনা যাবে এবং যেসব বিদ্যুত চালিত গাড়ি এ ধরণের ব্যাটারি ব্যবহার করবে সেগুলো আগের চেয়ে অনেক বেশি দূরত্ব পাড়ি দিতে সক্ষম হবে।

প্রচলিত ব্যাটারিগুলো সাধারণত এর মধ্যের সবগুলো রাসায়নিক উপদাদান ব্যবহার করে থাকে বিদ্যুত উৎপাদন করার জন্য কিন্তু জিঙ্ক-এয়ার ব্যাটারি প্রকৃতির অক্সিজেনের উপর নির্ভর করে বিদ্যুত উৎপাদনের জন্য। ১৯৮০ সালের দিকে জিঙ্ক-এয়ার ব্যাটারিকে সবচাইতে উন্নতমানের, কম খরচের ব্যাটারি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে জিঙ্ক-এয়ার ব্যাটারিগুলো ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ নিরাপদ। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির মতন আগুনের প্রতি একদমই সক্রিয়তা দেখায় না।

[ছবিতে জিঙ্ক-এয়ার ব্যাটারির স্তরগুলো দেখা যাচ্ছে]

----------------------

প্রথম প্রকাশঃ আরটিএনএন ডট নেট, ২০০৯।

Monday, September 14, 2009

নতুন আবিষ্কারঃ ঘরে বসেই জানা যাবে গর্ভের সন্তান ছেলে নাকি মেয়ে ?

গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা নিশ্চিত হতে আর পরীক্ষাগারে যেতে হবেনা। ঘরে বসে ছোট্ট একটি পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যাবে অনাগত সন্তানের লিঙ্গ কী। তাও আবার গর্ভধারণের মাত্র ১০ সপ্তাহের মধ্যেই। সম্প্রতি একটি মার্কিন ঔষধ কোম্পানি এ সংক্রান্ত ঔষধ/কিট উদ্ভাবন করেছে। সিএনএন অনলাইনের খবরে প্রকাশ।

অনাগত সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নিয়ে বাবা-মা তো বটেই, প্রতিবেশীদেরও কৌতুহলের অন্ত থাকেনা। ভূমিষ্ঠ হবার আগেই সবাই জানতে চান- গর্ভের সন্তানটি ছেলে না মেয়ে। এক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত সফল পদ্ধতি হচ্ছে আল্টাসনোগ্রাম পরীক্ষা। কিন্তু এই পরীক্ষার জন্য গর্ভবতীকে পরীক্ষাগারে যেতে হয় এবং গর্ভ ধারণের দিন থেকে ২০ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। পরীক্ষাটি ভালো এবং এর ওপর মানুষের আস্থাও অনেক বেশি। কিন্তু সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী বলেছেন, গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা জানার জন্য আর ২০ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করে থাকতে হবেনা। ১০ সপ্তাহের মধ্যেই ঘরে বসে ছোট্ট একটি পরীক্ষা করে তা জানা যাবে। পদ্ধতিটাও কঠিন নয়। কাগজের টুকরো জাতীয় একটি বস্তুর মাধ্যমে গর্ভবতী মায়ের নিজেরাই পরীক্ষাটি করে নিতে পারবেন। সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণের এই কিট উদ্ভাবন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেলিজেন্ডার নামে একটি কোম্পানি। কোম্পানির কর্মকর্তারা বলেছেন, গর্ভ ধারণের ১০ সপ্তাহ পর গর্ভবতী মায়ের প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করে তাতে উদ্ভাবিত কিটটি ডুবাতে হবে। ১০ মিনিটের মধ্যে সেটির রঙ যদি সবুজ হয় তাহলে ধরে নিতে হবে যে গর্ভের সন্তানটি ছেলে আর রঙ যদি কমলা হয়ে যায় তাহলে সন্তানটি মেয়ে।

ইন্টেলিজেন্ডারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা রেবেকা গ্রিফিন বলেন, ‘এটি কোনো পরীক্ষাগারের পরীক্ষা নয়। তাই এ পরীক্ষা সবসময় শতভাগ সঠিক হবে তা মনে করা যাবেনা।‘ কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে , তাদের পরীক্ষা ৭৮ থেকে ৮০ শতাংশ সঠিক। অনেকেই মনে করছেন, এই পরীক্ষার ফলে ভ্রূণ হত্যা বেড়ে যাবে। কারণ যেসব মা-বাবা ছেলে সন্তান চান, তারা যখন জানবেন অনাগত সন্তানটি ছেলে নয়, তখন তারা ভ্রূণটি হত্যা করার চেষ্টা করবেন। সাধারণত চীন এবং ভারতে ছেলে সন্তানের আগ্রহ অনেক বেশি। এ কারণে দেশ দুটিতে ভ্রূণ হত্যার মাত্রাও বেশি। ইন্টেলিজেন্ডার বলেছে, সে কারণেই তারা ভারত এবং চীনে তাদের উদ্ভাবিত কিট বিক্রি করবেনা।

------------------------------------------

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

Thursday, August 6, 2009

ভাইকিংদের কথকতা - প্রথম পর্ব

কোথা থেকে ভাইকিংরা এসেছিল ?
ভাইকিংরা এসেছিল তিনটি স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ থেকে। সেগুলো হচ্ছে- ডেনমার্ক, নরওয়ে এবং সুইডেন। ‘ভাইকিং’ শব্দটি এসেছে পুরাতন নরস ভাষা থেকে। ইউরোপের ইতিহাসে ভাইকিংদের খুঁজে পাওয়া যায় খ্রিষ্টপূর্ব ৭০০ থেকে ১১০০ শতাব্দী পর্যন্ত। এই সময়কালের মধ্যে ভাইকিংরা নিজেদের দেশ ছেড়ে অন্যান্য দেশে পাড়ি জমায় যেমন ব্রিটেন অথবা আয়ারল্যান্ড। কিছু ভাইকিংদের অন্যান্য দেশে পাড়ি জমানোর মূল উদ্দেশ্যই ছিল মারামারি এবং লুটতরাজ চালানো। আবার কিছু কিছু ভাইকিং অন্যান্য দেশে পাড়ি জমিয়ে সেখানে কৃষক, বুনন কারিগর অথবা ব্যবসায়ী হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করতে শুরু করে।

বৃটেনে ভাইকিংদের আগমণ
বৃটেনের দক্ষিণাঞ্চল, যাকে আমরা আধুনিককালে ইংল্যান্ড হিসেবে চিনি; এংলো-স্যাক্সনরা সেখানে প্রথমে বসতি স্থাপন করেছিল। খ্রিষ্টপূর্ব ৭৮৭ শতাব্দীতে তিনটি ভাইকিংদের জাহাজ ইংল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে নোঙ্গর করে। এসব জাহাজকে ‘লংশিপ’ বলা হতো। এরপর ভাইকিংদের সাথে যুদ্ধ হয় এংলো-স্যাক্সনদের। পরবর্তীকালে ভাইকিংদের সাথে এংলো-স্যাক্সনদের অসংখ্য রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের এটা শুধু সূত্রপাত ছিল। ভাইকিং হামলাকারীদের ইংরেজরা ‘ডেনস’ বলে ডাকত। তারা ভেবেছিল সব ভাইকিংরাই ডেনমার্ক থেকে আগত। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ভাইকিংরা শুধু ডেনমার্ক থেকেই আসেনি, নরওয়ে এবং সুইডেন থেকেও এসেছিল। নরওয়ে থেকে আগত ভাইকিংদের বলা হতো ‘নরস’; তারা গিয়ে স্কটল্যান্ডে পাড়ি জমায় এবং সেদেশের উত্তরাংশে গিয়ে বসতি স্থাপন করে। ভাইকিংরা ওয়েলসেও হামলা চালিয়েছিল কিন্তু তেমন বেশি সংখ্যক ভাইকিংরা সেখানে বসতি স্থাপন করেনি। বৃটেনে প্রচুর উর্বর ভূমিখণ্ড ছিল কৃষিকাজ করার জন্য। এসব ভূমিখণ্ড ভাইকিংদের আগ্রহী করে তোলে বৃটেনে পাকাপাকিভাবে পরিবার নিয়ে থেকে যাবার জন্য। ডেনমার্ক, নরওয়েতে কৃষিকাজের উপযোগি জমি তেমন ছিলনা সেকালে। থেকে যাওয়া ভাইকিংরা জমির উর্বরতা ব্যবহার করে কৃষিকাজ শুরু করে এসব জমিতে। স্কটল্যান্ডের উত্তরাংশে এবং ইংল্যান্ডের দক্ষিণাংশে ভাইকিংদের আধিপত্য দেখা যায়। আয়ারল্যান্ডের অতি গুরুত্বপূর্ণ শহর ‘ডাবলিন’ ভাইকিংরাই প্রতিষ্ঠা করে।

ভাইকিংদের পারিবারিক জীবন
বেশিরভাগ ভাইকিং পুরুষেরা অত্যন্ত কর্মঠ ছিলেন। যেকোন ধরনের কাজে তাদের দক্ষতার পরিচয় পাওয়া যায়। কিছু ভাইকিংরা অন্যদের চাইতে মাটির পাত্র তৈরির কাজে, নৌকা বানানোর কাজে অথবা চামড়ার কাজে বেশি পারদর্শী ছিল। প্রয়োজনের সময় প্রায় সব ভাইকিং পুরুষদেরকেই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে হতো। ভাইকিং নারীরা রুটি বানানোর কাজে দক্ষ ছিলেন। এছাড়াও তারা ভেড়ার লোম থেকে পোষাক বানানোর কায়দা-কানুন জানতেন। বাসার বাচ্চাদের দেখাশুনা করতেন নারীরাই। ঘরের যাবতীয় রান্নার কাজ এবং পোষাক বানাবার কাজ নারীরাই সম্পাদন করতেন। বেশিরভাব পরিবারে দিনে দুইবেলা খাবার প্রচলন ছিল। নারীরা পুরুষদের মাঝেসাঝে কৃষিকাজেও সাহায্য করে থাকতেন। গরুর দুধ দোয়ানোর কাজ মেয়েদের করতে হতো এবং সেগুলো থেকে পনির বানানোর কাজটাও।

ভাইকিং পরিবারে কোনও ছেলে শিশুর জন্ম হলে তার শেষনামে বাবার নাম জুড়ে দেওয়া হতো। আর মেয়ে শিশুর জন্ম হলে কখনো কখনো হুবহু মায়ের নাম অথবা দাদীর নাম রেখে দেওয়া হতো। ভাইকিং শিশুদের স্কুলে যাবার প্রথা ছিলনা। তারা সাধারণত বাসায় অথবা কর্মক্ষেত্রে তাদের পিতা-মাতাকে সাহায্য করতো। বাসাতেই ভাইকিং শিশুদের ভাইকিংদের ইতিহাস, ধর্ম, আইন এবং ভাইকিংদের নিয়ম-কানুন ইত্যাদি মুখে মুখে শিক্ষা দেওয়া হতো। ভাইকিং শিশুদের ১৫/১৬ বছর হয়ে গেলে তাদেরকে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে গণ্য করা হতো। আর মেয়েদের জন্য তাদের বাবা স্বামী নির্ধারণ করতো।

(চলবে)

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

---------------------------------------------
প্রথম প্রকাশঃ সচলায়তন, ২০০৯ ।

Tuesday, July 7, 2009

পৃথিবীজোড়া অদ্ভুত কিছু আইন !

দেশে দেশে বিভিন্ন ধরণের আইনের প্রচলন আছে। এগুলোর মধ্যে কিছু কিছু বেশ মজার। ঐসব দেশের অধিবাসীর হয়তো এসব আইনের সাথে মানিয়ে নিতে পেরেছেন নিজেদেরকে কিন্তু সেগুলোর মধ্যে কিছু কিছু নিয়ে ভাবলে আমাদের বেশ অবাক হতে হয় বৈকি ! এমন কিছু আইন নিয়েই আজকের লেখা …

১| রাশিয়াতে পিটার দ্য গ্রেটের শাসনকালে কেউ যদি দাঁড়ি রাখতে চাইতো তাকে আলাদাভাবে কর প্রদান করতে হতো দাঁড়ির উপর।
২| যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, কোনও বিয়ারের বিজ্ঞাপনে বিয়ার পানরত অবস্থায় কোনও মানুষকে দেখানো যায়না।
৩| আলাস্কার আইন অনুসারে কোনও উড়োজাহাজ থেকে মুজের(এক ধরনের বড় হরিণ) দিকে তাকানো বেআইনী।
৪| ক্যালিফোর্নিয়ান আইন অনুসারে কোনও মহিলা বাথরোব পড়ে গাড়ি চালাতে পারবেনা।
৫| ইংল্যান্ডের আইন অনুসারে কৃষকেরা তাদের খামারের শূকরদেরকে খেলনা দিতে বাধ্য থাকবে।
৬| ১৯৬৯ সালে মাসাচুসেটসে ক্রিসমাস পালন করা বেআইনি ছিল।
৭| প্রাচীন ইংল্যান্ডে কোনও নারীর সাথে সঙ্গম করতে চাইলে রাজার অনুমতি নেবার দরকার পড়ত।
৮| এথেন্সের পুলিশ কোনও গাড়ির চালকের লাইসেন্স বাতিল করে দেবার ক্ষমতা রাখে যদি ঐ চালক গোসল না করে গাড়ি চালায় অথবা চালকের বেশভূষা না ঠিক থাকে।
৯| বাংলাদেশে ১৫ বছরের শিশুকেও জেলে ভরে দেবার আইন আছে যদি সে পরীক্ষার খাতায় নকল করে।
১০| ফ্লোরিডায় ঘোড়া চুরি করার শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুদণ্ড।
১১| ফ্রান্সে কোনও মৃত ব্যক্তির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চাইলে সেক্ষেত্রে আইনগতভাবে কোনও বাঁধা নেই।
১২| মায়ামিতে কোনো পশুর অনুকরণ করা আইনগত ভাবে নিষেধ
১৩| সান সালভেদরে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর শাস্তি হচ্ছে ফায়ারিং স্কোয়াডের সামনে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড।
১৪| জ্যাক ড্যানিয়েল হুইস্কি যে শহরে উৎপাদন করা হয় সেখানে এই হুইস্কি সেবন এবং বেচাকেনা আইনগতভাবে নিষিদ্ধ।
১৫| সাংহাই, চায়নাতে লাল রঙের গাড়ি কেনা এবং মালিকানায় রাখা আইনবিরুদ্ধ।
১৬| মস্কোতে আবহাওয়াবিদরা ভুল তথ্য প্রচার করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান আছে।
১৭| ইন্দোনেশিয়াতে হস্তমৈথুনের শাস্তি হচ্ছে ধর থেকে মাথা কেটে ফেলে মৃত্যুদণ্ড।
১৮| আইসল্যান্ডে রেস্তোরায় গিয়ে বকশিস দেওয়াটাকে অসম্মানজনক মনে করা হয়।
১৯| ১৯৬০ সাল পর্যন্ত কোনও লম্বা চুলের অধিকারী পুরুষের ডিজনিল্যান্ডের ভেতরে ঢোকার অনুমতি ছিলনা।
২০| নিউজিল্যান্ডে সর্বপ্রথম মহিলাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষমতা প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

---------------------------------

প্রথম প্রকাশঃ সচলায়তন, ২০০৯।